Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

নাগরিক সুরক্ষা কমিটির উদ্যোগে ডি.আর. এম র নিকট স্মারকলিপি

নাগরিক সুরক্ষা কমিটির উদ্যোগে ডি.আর. এম র নিকট স্মারকলিপি
ভোগপুর স্টেশন সংলগ্ন স্থানে ট্রেনের ঝাপটায় ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের ভূমিকার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়ে মৃত ছাত্রীর বাবা-মা সহ এলাকার নাগরিকদের ডি…

 


নাগরিক সুরক্ষা কমিটির উদ্যোগে ডি.আর. এম র নিকট স্মারকলিপি


ভোগপুর স্টেশন সংলগ্ন স্থানে ট্রেনের ঝাপটায় ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের ভূমিকার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়ে মৃত ছাত্রীর বাবা-মা সহ এলাকার নাগরিকদের ডি.আর.এম.'র নিকট স্মারকলিপি পেশ


ভোগপুর স্টেশন সংলগ্ন স্থানে ট্রেনের ঝাপটায় ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ও সিভিক ভলেন্টিয়ারের ভূমিকার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়ে আজ মৃত ছাত্রীর বাবা-মা সহ এলাকার নাগরিকেরা অভিযোগ দায়ের করলেন দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের ডি.আর.এম.'র নিকট। এই মর্মে আজ ই.মেইল মারফত খড়গপুর ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের নিকট স্মারকলিপি পাঠানো হয়। পাশাপাশি ভোগপুরের স্টেশন ম্যানেজারের কাছে ডেপুটেশনের মাধ্যমে স্মারকলিপির প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়। ডেপুটেশনের প্রতিনিধিদলে ছিলেন,নাগরিক সুরক্ষা কমিটির সহ-সভাপতি মধুসূদন বেরা ও এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক সুজিত রায়,মধুসূদন সামন্ত,চন্দন সামন্ত, সুজিত মাইতি প্রমূখ। ওই স্মারকলিপির কপি রেলের বিভিন্ন আধিকারিকদের পাশাপাশি পাঁশকুড়া জি.আর.পি.এস.,কোলাঘাট থানা ও রেলের আর.পি.এফ. এর ও.সি. কেও দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে ভোগপুর স্টেশন সংলগ্ন স্থানে গতকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ভোগপুর কেনারাম হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়,ওই সময় বাঙালপুর গ্রামের দুই ছাত্রী(সোমা জানা-পিতা শম্ভু, জয়িতা খাটুয়া-পিতা পঞ্চানন) ভোগপুর হাইস্কুলের দিকে আসছিল আপ ট্রেন লাইনের পার্শ্ববর্তী স্থান দিয়ে। সেই সময় দ্রুতগতিতে আসা ট্রেনের ঝাপটায় জয়িতা সাইকেল সহ নিচের রাস্তায় পড়ে। সোমা ওই ট্রেন লাইন সংলগ্ন স্থানে পড়ে যায়। সোমা অনেকক্ষণ বিনা চিকিৎসায় ওই স্থানে পড়ে থাকে। খবর পেয়ে ওর বাবা ঘটনাস্থলে এসে ওকে চিকিৎসার জন্য হসপিটালে নিয়ে যেতে চাইলে লেবেল ক্রসিং এর দায়িত্বে থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ার ওকে তুলে নিয়ে যেতে এমনকি ওর গায়ে হাত দিতে বাধা দেয়। অনেকক্ষণ এইভাবে পড়ে থাকার পর স্থানীয় জনসাধারণের চাপে পরে অবশ্য ওকে নন্দাইগাজন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওখানে ডাক্তারবাবুরা খানিকক্ষণ চিকিৎসা করার পর ছাত্রীটি মারা যায়।

আরো উল্লেখ্য,ওই স্থানে রেল দপ্তর আপ লাইন পার্শ্ববর্তী স্থানে প্রোটেকশন ওয়ার্ক করছিল ঘেস দিয়ে। ফলস্বরূপ জনসাধারণের যাতায়াতের নিচের রাস্তাটি সংকীর্ণ হয়ে যায়। সেজন্যে কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা ওই কাজের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় পথচারীরা ওই রেললাইন পার্শ্ববর্তী প্রোটেকশন ওয়ার্ক এর জায়গা দিয়েই যাতায়াত করে। অথচ ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার ক্ষেত্রে রেল দপ্তর পূর্বে কোন বাধাও দেয়নি এবং কোনরূপ নোটিশ বোর্ড টাঙায় নি বলে অভিযোগ। ছাত্রীটির এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য ছাত্রীর বাবা শম্ভুবাবু রেলের সিভিক ভলেন্টিয়ারকেই অনেকাংশে দায়ী করছেন। বিষয়টি নিয়ে সরব নাগরিক সুরক্ষা কমিটি। কমিটির মুখপাত্র নারায়ণ চন্দ্র নায়ক ওই মর্মান্তিক ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কেন নিচের রাস্তাটি কয়েক মাস যাতায়াতের উপযোগী করে সংস্কার করা হয়নি সে ব্যাপারে প্রশ্ন তোলেন। শুধু তাই নয়, রেল দপ্তর উপরের রাস্তা দিয়ে যে যাতায়াত করা যাবে না বা যাতায়াত করা বিপদজনক সে ব্যাপারে কোন নোটিশ আজ পর্যন্ত লাগায়নি। নারায়নবাবুর আরো দাবী অবিলম্বে ওই স্থানে নিচ দিয়ে যাতায়াতের রাস্তাটি পূর্ণ সংস্কার করা হোক।

No comments