অতিবৃষ্টিতে শিল্পাঞ্চল সহ ২৯ টি ওয়ার্ড এলাকা জলমগ্ন পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের মন্ত্রীঅমাবস্যার কোটালের পর নিম্নচাপ তারফলেই গত ১২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে অতি বর্ষণ তার ফলেই শিল্প-শহর হলদিয়া এবং পৌরসভার ২৯ টি ওয়ার্ড জলমগ্ন ,পরিদর্শন…
অতিবৃষ্টিতে শিল্পাঞ্চল সহ ২৯ টি ওয়ার্ড এলাকা জলমগ্ন পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী
অমাবস্যার কোটালের পর নিম্নচাপ তারফলেই গত ১২ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে অতি বর্ষণ তার ফলেই শিল্প-শহর হলদিয়া এবং পৌরসভার ২৯ টি ওয়ার্ড জলমগ্ন ,পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী। হলদিয়া পৌরসভায় রাজ্যের মন্ত্রী পোস্টেই অতিবৃষ্টি বিপর্যয় মোকাবেলায় তোড়জোড় শুরু হল হলদিয়া পৌরসভায়। জল সেঁচতে দৌড় ছুট করে জোগাড় করে আনা হয় পাম্প মেশিন। শুক্রবার দুপুরের পর থেকে হলদিয়ার বিভিন্ন ক্যানেলে হলদি ও হুগলি নদীর সংলগ্ন লকগেটে শুরু হয় নজরদারি। পৌর এলাকায় জলমগ্ন কিভাবে জল নামানো যায় সে নিয়ে মিটিংয়ে বসেন পৌর প্রশাসক তথা মহকুমাশাসক সুরভি সিংলা ও আধিকারিকরা। কিন্তু তার আগে বিপর্যয় মোকাবেলায় পৌর কর্তৃপক্ষ বা মহকুমার প্রশাসনের কোন হেলদোল ছিল না বলে অভিযোগ। নামকে বাস্তব কন্ট্রোল রুম খোলা হলেও তার সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এলাকার সূত্রের খবর, হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী টিম রীতিমতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ত্রাণ শিবিরে বয়স্কদের পৌঁছানো ব্যবস্থা করেছেন। ওয়ার্ডে রান্না খাবার এবং শুকনো খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলির টিম। যদিও বিধায়ক নিজে অসুস্থ নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছেন তা সত্ত্বেও তার টিম পুরো বিধানসভা এলাকায় তদারকি করছেন । হলদিয়া পৌরসভার বিভিন্ন হওয়ার এলাকার গ্রাম কমিটির উদ্যোগে ই নিকাশী নালা ও চ্যানেল পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে।পৌর আধিকারিকদের কোন দেখা নেই। এমনি এলাকায় অভিযোগ।
১৪ই আগস্ট শুক্রবার সকাল দশটা নাগাদ সিটি সেন্টারে পৌঁছান রাজ্যের নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী উমেশ রায় এছাড়াও ছিলেন জেলাশাসন নিরঞ্জন কুমার সঙ্গে সঙ্গে বিপর্যয় মোকাবেলা মিটিংয়ে বসেন পৌর এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে বিশদে জানতে চান মন্ত্রী পৌর প্রশাসক ও ইঞ্জিনিয়ার তাদের বিষয়টি তুলে ধরার। মন্ত্রীসহ জেলাশাসক রাণীচক বিবেকানন্দ গভঃ স্কুলে দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন, প্রশাসন সব রকমের দুর্গতদের পাশে রয়েছেন বলে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। পৌর প্রতিমন্ত্রী অতিবৃষ্টি হলদিয়া শহরের এই দুর্যোগে দায় চাপিয়েছেন বিগত তৃণমূল সরকারের উপর। হলদিয়া শিল্প শহরের বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার জন্যই মানুষকে জল যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে। জল নিকাশির জন্য টাকা ঠিকভাবে খরচ হয়নি নাগরিক পরিষেবা নামে তৃণমূল সরকার টাকা লুট করেছে আমার পাড়া আমার সমাধান পথ নামে অযথা টাকা খরচ করে রাস্তা উঁচু করেছে কিন্তু নিকাশির জন্য খরচ করেননি। মন্ত্রী হলদিয়াবাসী কে আশ্বস্ত করেন আগামী দিনে আর বৃষ্টিতে কখনো হলদিয়া ডুববে ন। সেজন্য সেচ দপ্তর বন্দর কর্তৃপক্ষ রেল পৌরসভা এইচ ডি এ কে নিয়ে যৌথ প্ল্যানিং করে নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি করা হবে। হলদিয়া পৌরসভার ১১ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড বাদ দিয়ে বাকি ২৭ টি ওয়ার্ডে মোট ৪৭ টি ত্রাণ শিবির চলছে। চারিদিকে জলমগ্ন হয়ে যাওয়ায় উঁচু জায়গায় বাড়ির ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে বিষধর সাপ। হলদিয়া বাড়ঘাসীপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র জলের তলায়। পৌরসভা ও এসডিও অফিসের সামনে রাস্তায় সামান্য জমা জল তুলতে দমকলের ইঞ্জিন এনে জল পাম্প করে তোলার ঘটনা মানুষের প্রশ্ন তুলেছেন। বালুঘাটা এলাকার লকগগেটের পৌরসভার নজরদারি না থাকায় জল শহরে ঢুকে পড়ছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ।
No comments