Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সামগ্রিক রূপায়ণ সম্পর্কে অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ সহ বর্ষার পরপরই কাজ শুরুর দাবীতে ভুক্তভোগী মানুষজনদের কনভেনশন ও মহকুমা শাসকের নিকট ডেপুটেশন

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সামগ্রিক রূপায়ণ সম্পর্কে  অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ সহ বর্ষার পরপরই কাজ শুরুর দাবীতে ভুক্তভোগী মানুষজনদের কনভেনশন ও মহকুমা শাসকের নিকট ডেপুটেশনসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:   পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জে…

 




ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সামগ্রিক রূপায়ণ সম্পর্কে  অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ সহ বর্ষার পরপরই কাজ শুরুর দাবীতে ভুক্তভোগী মানুষজনদের কনভেনশন ও মহকুমা শাসকের নিকট ডেপুটেশন

সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:   পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার স্থায়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সামগ্রিক রূপায়ণ সম্পর্কে অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ, মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে তদারকি কমিটি গঠন করে বর্ষার পরপরই কাজ শুরুর দাবীতে আজ ১৩ ই অগাস্ট ভুক্তভোগী মানুষজনদের কনভেনশন ও মহকুমা শাসক দপ্তরে ডেপুটেশন দেয়- ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি।

        কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক ও দেবাশীষ মাইতি বলেন,বিগত রাজ্য সরকারের "নো কস্ট" পদ্ধতিতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের অন্তর্গত শিলাবতী নদী সংস্কারের শ্লথগতির ফলে ঘাটালের বিভিন্ন নদীগুলিতে কয়েকদিন ধরে জলস্তর বাড়ছে। ইতিমধ্যে মহারাজপুর,পান্না সংলগ্ন কয়েকটি গ্রাম একাধিকবার প্লাবিত হয়েছে। কয়েকটি বাসের সাঁকো ভেঙে যাতায়াত ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান রাজ্য সরকার আবারও মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণের জন্য রাজ্য বাজেটে ১২০০ কোটি টাকার কাজ করবে বলে ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ওই প্রকল্প রূপায়ণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। যা চার বছর ধরে রূপায়ণ করা হবে। 

            নারায়নবাবু জানান-গত ১৪ জুলাই রাজ্যের নবনিযুক্ত সেচ ও জলপথ দপ্তরের মন্ত্রী অরূপ দাসের সাথে আমাদের কমিটির এক প্রতিনিধি দল কলকাতার জলসম্পদ ভবনে দেখা করলে মন্ত্রী জানিয়েছেন,নো কস্ট পদ্ধতিতেই নদী ও খাল সংস্কার করা হবে। তবে পদ্ধতিতে কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হবে। মন্ত্রী আরো বলেন,মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণের ওই ঘোষণা করা ছাড়া দপ্তর এখনও বিশেষ কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। এই অবস্থায় উপরোক্ত দাবীতে ভুক্তভোগী মানুষজনদের নিয়ে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য আজ ঘাটালের অন্নপূর্ণা আর্কেডে এক কনভেনশন হয়। কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ মাইতি। মূল প্রস্তাব পাঠ করেন কমিটির অফিস সম্পাদক কানাই লাল পাখিরা। ওই প্রস্তাবকে সমর্থন করে বক্তব্য রাখেন কমিটির উপদেষ্টা ঘাটালের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব গৌরীশংকর বাগ সহ বিভিন্ন ব্লক থেকে আগত প্রতিনিধিগণ। মূল প্রস্তাবের উপর বিস্তৃত বক্তব্য রাখেন কমিটির অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক। কনভেনশন থেকে বর্তমান পরিস্থিতিতে ১২ দফা দাবীসনদ ও ওই দাবীতে ঘাটালে অবস্থান-বিক্ষোভ, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের নিকট ডেপুটেশন সহ নানা কর্মসূচী সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 

           কনভেনশনের পূর্বে ঘাটালের নবনিযুক্ত মহকুমা শাসক অনন্য জানা ও সেচ দপ্তরের এসডিও উজ্জ্বল মাখালের সাথে সাক্ষাৎ করে ডেপুটেশন ও ১২ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সত্য সাধন চক্রবর্তী, নারায়ণ চন্দ্র নায়ক, দেবাশীষ মাইতি, কানাইলাল পাখিরা, অঞ্জন জানা প্রমুখ।


 

No comments