জেলার প্রায় ২০০টি হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া এবং চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিক…
জেলার প্রায় ২০০টি হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে হারিয়ে যাওয়া এবং চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এক বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া প্রায় ২০০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলি সংশ্লিষ্ট মালিকদের হাতে তুলে দেয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। বহুদিন পর নিজের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন মোবাইল গ্রহীতারা।
এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নিমতৌড়ি পুলিশ লাইনে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল মণ্ডল-সহ জেলার একাধিক পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। তাঁদের উপস্থিতিতে একে একে মোবাইল ফোনগুলি প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হারিয়ে যাওয়া কিংবা চুরি হওয়া মোবাইল ফোন সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সহায়তা এবং ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে এই মোবাইলগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এরপর যথাযথ যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করা হয় এবং তাঁদের হাতে মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মোবাইল গ্রহীতারা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত পুলিশ কর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তাঁদের কথায়, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পাওয়ার আশা অনেকেই ছেড়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু জেলা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টায় সেই আশা বাস্তবে পরিণত হয়েছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ শুধু হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান সামগ্রী ফিরিয়ে দেওয়াই নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করেছে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের জনমুখী উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেই আশাবাদী জেলা পুলিশের কর্তারা।

No comments