Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

পঞ্চায়েত ভবনে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ল নথিপত্র! কাঠগড়ায় তৃণমূল

খেজুরিতে বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত ভবনে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ল নথিপত্র! কাঠগড়ায় তৃণমূল গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল খেজুরির বিজেপি পরিচালিত নিজকসবা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ আচমকাই ওই দ্বিতল পঞ্চায়ে…

 




 খেজুরিতে বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত ভবনে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ল নথিপত্র! কাঠগড়ায় তৃণমূল 

গভীর রাতে বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল খেজুরির বিজেপি পরিচালিত নিজকসবা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ আচমকাই ওই দ্বিতল পঞ্চায়েত ভবনটির ওপরের তলার দুটি ঘরে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। এই ঘটনায় পঞ্চায়েত অফিসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে খবর। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকল ও খেজুরি কোস্টাল থানার পুলিশ পৌঁছালেও, তার আগেই বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃনমূল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ নিজকসবা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে দ্বোতলার দুটি ঘর। খবর দেওয়া হয় দমকল ও পুলিশে। দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে দ্বিতল ভবনের ভিতরে থাকা সমস্ত জরুরি সরকারি নথিপত্র, ফাইল এবং আসবাবপত্র পুড়ে খাক হয়ে গেছে।

খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান খেজুরির বিজেপি বিধায়ক সুব্রত পাইক এবং পঞ্চায়েত প্রধান মৌসুমি মণ্ডল। পঞ্চায়েত অফিস পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় স্বভাবতই রাজনীতির রঙ লেগেছে। বিজেপির স্পষ্ট অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। 

"বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতের কাজে বাধা দিতে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করতেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পরিকল্পিতভাবে এই আগুন লাগিয়েছে।"—বিধায়ক সুব্রত পাইকের দাবি

পাল্টা সুর চড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরও। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনার সাথে রাজনীতির কোনো যোগ নেই। বিজেপির অন্দরের কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বা শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে।

ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এটি কোনো দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে কোনো নাশকতার ছক রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই যৌথ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও দমকল আধিকারিকরা। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কিনা, তাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।

No comments