Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

শিক্ষা ও শিক্ষক জীবন বিনষ্টকারী টেট বন্ধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের দাবিতে মিছিল

শিক্ষা ও শিক্ষক জীবন বিনষ্টকারী টেট বন্ধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের দাবিতে মিছিলমেছাদা, ৩০.০৫.২০২৬ - সুপ্রিম কোর্টের কর্মরত শিক্ষকদের টেট পাশ করে চাকরি রক্ষা সংক্রান্ত রিভিউ পিটিশনের রায়ের প্রতিবাদে আজ বঙ্…

 



 শিক্ষা ও শিক্ষক জীবন বিনষ্টকারী টেট বন্ধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের দাবিতে মিছিল

মেছাদা, ৩০.০৫.২০২৬ - সুপ্রিম কোর্টের কর্মরত শিক্ষকদের টেট পাশ করে চাকরি রক্ষা সংক্রান্ত রিভিউ পিটিশনের রায়ের প্রতিবাদে আজ বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে মেছেদায় কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডের ক্ষুদিরাম মুর্তির পাদদেশ থেকে বিদ্যাসাগর মুর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল করা হয়। 



        গত ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ আদালতের এহেন রায়ে হতাশায় বহু শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন। এর বিরুদ্ধে শিক্ষকরা দেশব্যাপী বিক্ষোভ আন্দোলন সংগঠিত করেছেন।  শিক্ষার অধিকার আইনে ২০১১ সালে ১২(এ) ধারা অনুযায়ী টেট চালু করা হয়। যদিও এই আইন চালু হওয়ার পূর্বে নিযুক্ত শিক্ষকদের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ এর ফলে প্রায় ৩৩ লক্ষ শিক্ষক যদি সমস্যায় পড়েছেন এবং গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।

    এই রায় সংশোধনের জন্য ৪৫ টি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ আট মাস পর গত ১৩ মে ওপেন কোর্ট হেয়ারিং হয়। সেখানে বেশিরভাগ আইনজীবী বাধ্যতামূলক টেট -এর বিপক্ষে বলেছেন। 

     এমনকি শীতকালীন অধিবেশনে কেন্দ্রের শাসক দলের ১৩ জন সাংসদ এ নীতির বিরোধিতা করেন।যদিও আমাদের রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক, এন সি টি ই র পক্ষ থেকে কোন প্রতিনিধি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। 

        এক প্রেস বিবৃতিতে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হাণ্ডা  বলেন গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে টেট সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন।বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষায় নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

       তিনি শিক্ষা ও শিক্ষক জীবন বিনষ্টকারী টেট বন্ধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের দাবি জানান।

  সেই সঙ্গে তিনি সমস্ত কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি সুরক্ষার দাবিতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাস্তার আন্দোলনকেও তীব্রতর করার আবেদন জানান।

             

   

No comments