আগামী বর্ষার পূর্বে নিকাশী খাল ও নদী সংস্কারের দাবীতে সেচ দপ্তরে স্মারকলিপিসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: অবিলম্বে নদী ও নিকাশী খাল সংস্কার কাজের গতিবৃদ্ধি করে আগামী বর্ষায় বন্যা ও জলবন্দী পরিস্থিতির হাত থেকে রেহাইয়ের দাবী জা…
আগামী বর্ষার পূর্বে নিকাশী খাল ও নদী সংস্কারের দাবীতে সেচ দপ্তরে স্মারকলিপি
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: অবিলম্বে নদী ও নিকাশী খাল সংস্কার কাজের গতিবৃদ্ধি করে আগামী বর্ষায় বন্যা ও জলবন্দী পরিস্থিতির হাত থেকে রেহাইয়ের দাবী জানিয়ে আজ সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ও এস ডি ও (ইরিগেশন) এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন্যা-ভাঙন প্রতিরোধ কমিটি।
কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন, জেলার বিধানসভার নির্বাচন পর্ব গত ২৩ এপ্রিল শেষ হয়েছে। ফি বছরের বন্যা ও জলবন্দী সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষকে স্বস্তি দিতে বানভাসিদের দীর্ঘ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রূপনারায়ন-কংসাবতী নদী সহ দেহাটি-সোয়াদিঘী-পায়রাটুঙি-গঙ্গাখালি-জঁফুলি প্রভৃতি সমস্ত নিকাশী খালগুলির সংস্কার কাজ নির্বাচনের কারণে খানিকটা থমকে ছিল। অতি সত্বর সেই কাজের গতি বাড়িয়ে আগামী বর্ষার পূর্বে জেলাবাসীকে বিধ্বংসী বন্যা ও কয়েক মাস ধরে ফি বছরের জলবন্দী পরিস্থিতির হাত থেকে রেহাই দিতে হবে। কমিটির পক্ষ থেকে সেচ দপ্তরের আধিকারিকগণের নিকট এই মর্মে আজ স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়,দেহাটি সহ কয়েকটি খালের ক্ষেত্রে এখনো মাটি বিক্রির পোর্টালই চালু করা হয়নি।
নারায়ণবাবুর অভিযোগ 'নো কস্ট' পদ্ধতিতে খাল ও নদী সংস্কার হওয়ার কারণে বাস্তবে ঠিকাদারের কাছে যখন মাটি কেনার খরিদ্দার থাকে, তখনই ঠিকাদার ওই কাজের গতি বাড়ায়। অন্যদিকে প্রশাসনিক চাপ থাকলেও ঠিকাদার মাটি তোলার কাজে গতিবৃদ্ধি করে। বর্ষা আসতে আর মাত্র দেড় মাস বাকী। আমরা চাই-অতি সত্বর জেলা সেচ দপ্তরের আধিকারিকবৃন্দ বিষয়টিতে নজর দিক।

No comments