অতি দ্রুত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান পূর্ণাঙ্গ রূপে রূপায়ণের বিষয়ে ঘাটাল মহকুমার ভাবী জনপ্রতিনিধিদের চিঠি দিল-মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ ঘাটাল ম…
অতি দ্রুত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান পূর্ণাঙ্গ রূপে রূপায়ণের বিষয়ে ঘাটাল মহকুমার ভাবী জনপ্রতিনিধিদের চিঠি দিল-মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান অতি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ রূপে রূপায়ণের বিষয়ে মহকুমার ভাবী জনপ্রতিনিধিদের আজ চিঠি দিল-ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে,পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল মহকুমার প্রধান সমস্যা হল- জলনিকাশী সহ ফি বছরের বন্যা। ওই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের দাবীতে স্বাধীনতার পর প্রথম লোকসভায় সরব হয়েছিলেন ঘাটালের তৎকালীন সাংসদ প্রয়াত নিকুঞ্জ বিহারী চৌধুরী। যার পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত হয়েছিল "মান সিং কমিটি"। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছিল "ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান"। কিন্তু বহু প্রতীক্ষিত দুই মেদিনীপুর জেলার স্থায়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প সেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আজও রূপায়িত হয়নি। ঘাটালের বাসিন্দা প্রাক্তন আইপিএস অমিয় কুমার সামন্ত,ঘাটালের বাসিন্দা সেচ দপ্তরের প্রাক্তন চিফ ইঞ্জিনিয়ার ইব্রাহিম কুট্টি ও জ্যোৎস্না মুখার্জি এবং ভাঙাদহের বাসিন্দা প্রয়াত সতীশ চন্দ্র পালের উদ্যোগে "ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি" গড়ে তুলে দীর্ঘ আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে নতুন করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার মাস্টার প্ল্যানের সংশোধিত রূপ তৈরি করে। তারপরও কেন্দ্রীয় সরকার ওই মাস্টার প্ল্যানে কোন অর্থ বরাদ্দ না করায় রাজ্য সরকারই ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করবে বলে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে। কিন্তু তারপরও প্রায় দু বছর হতে চলল,এখনো সেই অর্থে মাস্টার প্ল্যানের বিশেষ কিছু কাজ এগোয় নি। আবার বর্ষা আসতে চলল। স্বাভাবিকভাবে এই বর্ষাতেও ঘাটালবাসীকে ফের বন্যার কবলে পড়তে হবে! "নো কস্ট" পদ্ধতিতে শিলাবতী নদী সহ কয়েকটি ছোট ছোট খাল সংস্কার করবার কথা সংবাদমাধ্যমে বহুল প্রচারিত হলেও এবং মনিটারিং কমিটির মিটিং এর সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে চললেও এখনো নদীর এক কিলোমিটার অংশ পূর্ণাঙ্গ সংস্কার হয়নি। চন্দ্রেশ্বর খালকে শিলাবতী সাথে যুক্ত করার বিষয় সহ অন্যান্য কাজগুলিও তথৈবচ। সংবাদ মাধ্যমের প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে,চন্দ্রেশ্বর খালকে শিলাবতীর সাথে সংযুক্তিকরণের জন্য যে জমি অধিগ্রহণ করতে হবে,সে বিষয়ে এখনও রাজ্য মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়নি।
এই অবস্থায় ভাবী জনপ্রতিনিধি হিসেবে আপনি নির্বাচিত হলে, এক্ষেত্রে আপনি কি ভূমিকা নেবেন ? তা নির্বাচক মন্ডলী ও জনসাধারণের কাছে তুলে ধরুন।
এই আবেদন জানিয়ে আজ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়কের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি মহকুমার সমস্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কাছে অনলাইনে পাঠানো হয়েছে।
কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক ও দেবাশীষ মাইতি জানান,অতিসত্বর খাল ও নদী সংস্কারের কাজের গতি না বাড়ানো হলে আমাদের কমিটি আগামী বর্ষার পূর্বেই বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

No comments