স্টক ফাইল চিত্রভোট ঘোষণার কয়েক ঘন্টা আগেই কি ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পুরনো বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়া শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চলতি মাস থেকেই ডিএ দেওয়া শুরু হচ…
স্টক ফাইল চিত্র
ভোট ঘোষণার কয়েক ঘন্টা আগেই কি ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পুরনো বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়া শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চলতি মাস থেকেই ডিএ দেওয়া শুরু হচ্ছে।রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পুরনো বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চলতি মাস থেকেই ডিএ দেওয়া শুরু হচ্ছে। রবিবারই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। বিকেল ৪টেয় দিল্লির বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করা হবে। তার ঠিক আগে বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিকেল ৩টে ৫ মিনিটে সমাজমাধ্যমে ডিএ সংক্রান্ত ঘোষণার পোস্টটি করেন মমতা। তাতে লিখেছেন, ‘‘আমাদের মা-মাটি-মানুষের সরকার তার সকল কর্মচারী, পেনশনভোগী, লক্ষ লক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অশিক্ষক কর্মচারী, পঞ্চায়েত-পুরসভার কর্মী ও পেনশনভোগীকে দেওয়া কথা রেখেছে। তাঁরা রোপা-২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ২০২৬ সালের মার্চ থেকেই পেতে শুরু করবেন।’’ রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বকেয়া অর্থপ্রদানের পদ্ধতি ও সময়সূচি নির্দিষ্ট করা হয়েছে বলেও জানান মমতা।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ মেটাতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্টই। বলা হয়েছিল, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি অর্থ কী ভাবে মেটানো হবে, তা ঠিক করতে প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে আদালতই একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে ফের আদালতে আবেদন করে। এখনও সেই মামলা সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য ওঠেনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটঘোষণার ঠিক আগে বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
পশ্চিমবঙ্গে বকেয়া ডিএ-র জন্য আন্দোলন দীর্ঘ দিনের। ২০০৯ সালের বেতন কাঠামো অর্থাৎ রোপা-২০০৯ অনুযায়ী, ডিএ দেওয়ার দাবিতে সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সমান হারে ডিএ-র দাবিও তুলেছেন তাঁরা। ২০২২ সালে কলকাতা হাই কোর্ট রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলে এই বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, ডিএ সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার। তা দিতেই হবে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যায়। কিন্তু শীর্ষ আদালতও ডিএ দেওয়ার পক্ষেই রায় দেয়। তার পর বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মচারী সংগঠনগুলির সঙ্গে আলোচনাও চালিয়েছে রাজ্য সরকার।
‘‘গত ১৩ মার্চ রাজ্য জুড়ে কর্মবিরতি পালন করেছিল ১২ ই জুলাই সহ রাজ্য বেশ কয়েকটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠন। সেই আন্দোলনের ফলেই রাজ্য সরকার চাপে পড়ে ডিএ দিতে বাধ্য হয়েছে।’’

No comments