Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে সুরক্ষা গাফিলতিতে শ্রমিক মৃত্যুর অভিযোগে আদালতে মামলা রাজ্য সরকারের

হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে সুরক্ষা গাফিলতিতে শ্রমিক মৃত্যুর অভিযোগে আদালতে মামলা রাজ্য সরকারের সুরক্ষা গাফিলতিতে বারবার দুর্ঘটনা এবং শ্রমিক মৃত্যুর অভিযোগ হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করল রাজ্য সরকার।…

 



হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে সুরক্ষা গাফিলতিতে শ্রমিক মৃত্যুর অভিযোগে আদালতে মামলা রাজ্য সরকারের

 সুরক্ষা গাফিলতিতে বারবার দুর্ঘটনা এবং শ্রমিক মৃত্যুর অভিযোগ হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করল রাজ্য সরকার। গত বছর ১০ নভেম্বর কারখানার চত্বরে ফেনল নির্মাণ প্রজেক্টে সেফটি গাফিলতির জন্য একটি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় কর্মরত এক শ্রমিকের। মৃত শ্রমিকের নাম সুব্রত মাইতি (৪৯)। মৃত শ্রমিকের বাড়ি সুতাহাটা ব্লকের চৈতন্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর গ্রামে। এরপরেও গত জানুয়ারি মাসে ফের একটি দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে ওই শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সূত্রের খবর, গত ৩ ফেব্রুয়ারি হলদিয়া মহকুমা আদালতে ডিরেক্টর অফ ফ্যাক্টরিজের তরফে ১৯৪৮ কারখানা আইনের ৯২ ধারাতে মামলা করা হয়েছে। হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের দুই কর্তা নভনীত নারায়ণ এবং সুন্দরলাল হাজরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে রাজ্য সরকার। অভিযোগ, কারখানা চত্বরে সুরক্ষা সম্পর্কিত নজরদারির অভাবে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু তারপরেও হুঁশ নেই কারখানা কর্তৃপক্ষের।আইনজীবী সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই মামলায় দুই অভিযুক্ত নভনীত নারায়ণ এবং সুন্দরলাল হাজরাকে আদালতের পক্ষ থেকে সমন পাঠানো হয়েছে। যদিও কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রেস বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ আদালত থেকে মামলার ব্যাপারে এখনো কোন চিঠি পায়নি। মৃত শ্রমিকের স্ত্রীর অভিযোগ, 'স্বামীর মৃত্যুর পরে ৫০ হাজার টাকা ও তিন মাসের বেতন পেয়েছি। এরপর কারখানার তরফে ছেলেকে স্বল্প বেতনে অস্থায়ী কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ফলে পরিবারের তরফে ওই স্বল্প বেতনের কাজের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।' মৃত শ্রমিকের পরিবার কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে তেমনভাবে কোন ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় হতাশ হয়েছেন। এই ঘটনায় পর হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে কারখানা চত্ত্বরে সেফটি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। যদিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, 'কারখানায় শ্রমিক আহত হলে বা মারা গেলে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না। অথচ প্রত্যেক বছর লক্ষ লক্ষ টাকা সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্পে ব্যয় করা হয়।' উল্লেখ্য, হলদিয়া, মহিষাদল এলাকায় বিভিন্ন মিশন এবং স্ট্রাস্ট কে সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্পে একের পর এক প্রোজেক্ট দিয়ে চলেছেন এইচপিএল কতৃপক্ষ। অথচ শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। উল্টে প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের কাজ থেকে অব্যহতির হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে।

No comments