বর্ষায় আমন মরশুমের ধানচাষের ক্ষতি সত্বেও বীমা কোম্পানি কর্তৃক ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ। কৃষিমন্ত্রীর দারস্থ কৃষক সংগ্রাম পরিষদসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক : গত বর্ষায় কোলাঘাট ব্লকের …
বর্ষায় আমন মরশুমের ধানচাষের ক্ষতি সত্বেও বীমা কোম্পানি কর্তৃক ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ।
কৃষিমন্ত্রীর দারস্থ কৃষক সংগ্রাম পরিষদ
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক :
গত বর্ষায় কোলাঘাট ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় আমনধানের চাষ সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বাংলা শস্য বীমা প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিপূরণের জন্য বিবেচিত না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ফলস্বরূপ আসন্ন বোরো মরশুমে ওই প্রকল্পের জন্য বাংলা শস্য বীমা ফর্ম পূরণের জন্য অধিকাংশ কৃষকই মুখ ফিরাচ্ছেন বলে জানা গেছে। কোলাঘাট ব্লকের কৃষকদের অরাজনৈতিক সংগঠন "কৃষক সংগ্রাম পরিষদ" ইতিমধ্যেই এবিষয়ে সরব হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃষিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সংগঠনের সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক অভিযোগ করেন,গত বর্ষায় কোলাঘাট ব্লকের বৃন্দাবনচক-সিদ্ধা এক ও দুই-পুলসিটা-খণ্যাডিহি- সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ টি গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক আমন ধানের চাষ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। শুধু তাই নয়,পৌষ সংক্রান্তিতে লক্ষী পূজারও ধানটুকু হয়নি ওই কৃষকদের। অথচ বাংলা শস্য বীমা প্রকল্পে কৃষকেরা বীমা করলেও ওই কৃষকেরা ক্ষতিপূরণের জন্য বিবেচিত হয়নি বলে সম্প্রতি কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। সেজন্য ওই কয়েক হাজার কৃষক বীমা কোম্পানি যে পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণের টাকা বিলি করে থাকে,সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে। আর সে কারণেই আসন্ন বোরো মরশুমের ধান চাষের শস্য বীমা ফর্ম পূরণে অধিকাংশ কৃষকই উৎসাহ দেখাচ্ছেন না বলে নারায়ণবাবু জানান।

No comments