হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে তৈরি হল খামারবাড়ি!
বৃহস্পতিবার ২৮ শেষ আগষ্ট হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(এইচডিএ) সরকারি অতিথি নিবাস 'হলদিয়া ভবন'-এর পাশে খামারবাড়ির সূচনা করলেন সংস্থার চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় কর। প্রায় ৭ একর জ…
হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের উদ্যোগে তৈরি হল খামারবাড়ি!
বৃহস্পতিবার ২৮ শেষ আগষ্ট হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(এইচডিএ) সরকারি অতিথি নিবাস 'হলদিয়া ভবন'-এর পাশে খামারবাড়ির সূচনা করলেন সংস্থার চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় কর। প্রায় ৭ একর জমির উপর মাছ ও সব্জি চাষ, ফল ও ওষধি গাছের বাগান, পশুপালন ও ডেয়ারি গড়তে সুসংহত খামার তৈরির স্কিম নিয়েছে এইচডিএ। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি দেশি বিদেশি গরু, ছাগল ও চারাপোনা চাষের সূচনা হয়েছে। ওই খামারে উৎপাদিত টাটকা দুধ, ডিম, মাংস ও মাছ হলদিয়া ভবনে আগত অতিথিদের জন্য ব্যবহার করা হবে। ওই অতিথি নিবাস হলদিয়া বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। পাশাপাশি সরকারি আধিকারিকদের জন্য হলদিয়া ভবন ব্যবহৃত হয়। হলদিয়া ভবন নতুন করে সেজে ওঠার পর এখানে অতিথি সমাগম অনেক বেড়ে গিয়েছে। অতিথি ও পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণের জন্য সুসংহত খামার তৈরির নতুন উদ্যোগ নিয়েছে এইচডিএ। বৃষ্টির মধ্যেই অনাড়ম্বরভাবে এদিন প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, এইচডিএর চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার কোন্থাম সুধীর, সংস্থার দুই ভাইস চেয়ারম্যান সাধন জানা, শেখ সুফিয়ান, আইওসির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর অতনু সান্যাল, সুতাহাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অশোক মিশ্র, হলদিয়া এনার্জির ভাইস প্রেসিডেন্ট সুশোভন পাত্র সহ শিল্প সংস্থার আধিকারিকরা। চেয়ারম্যান বলেন, হলদিয়া ভবনের ১০ একর জমি রয়েছে। এরমধ্যে তিন একর জমিতে অতিথিশালা রয়েছে। বাকি জমি ঝোপজঙ্গল হয়ে পড়েছিল। প্রাচীর ভেঙে গিয়ে এলাকা অরক্ষিত অবস্থায় ছিল। বছর দেড়েক আগে ওই জমি কাজে লাগাতে এইচডিএ খামার গড়ার উদ্যোগ নেয়। একাজে আর্থিক সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে হলদিয়া আইওসি রিফাইনারি কর্তৃপক্ষ। ওরা সামাজিক দায়বদ্ধতা স্কিমে ৮৮ লক্ষ টাকা দিয়েছে খামার গড়তে। ওই অর্থে প্রাচীর সহ পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে। টেন্ডার ডেকে আগ্রহী সংস্থাকে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার সিএডিসি নামে সরকারি সংস্থার পরামর্শে ওই খামার তৈরি হচ্ছে বলে জানান এইচডিএর চেয়ারম্যান। হলদিয়া ভবন থেকে সরাসরি জাহাজ দেখতে পাওয়ার সুবিধে রয়েছে বলে পর্যটকরা এখানে ভিড় করে। এইচডিএ পরিকল্পনা রয়েছে, পুরোদমে খামার চালু হলে সংস্থার লোগো ব্যবহার করেই এখান থেকে খাঁটি খামারজাত সামগ্রী হলদিয়ায় বাজারজাত করা হবে। প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, গড়ে প্রতিদিন ২০০ লিটার দুধ উৎপাদন। এখানে ড্রাগন ফ্রুটের চাষ সহ ভেষজ বাগান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

No comments