Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Popular Posts

Breaking News:

latest

৩০০ বছরের ভীম লক্ষ লক্ষ টাকার মালায় মোড়া ভক্তদের উপচে পড়া ভীড় মেলা প্রাঙ্গণ

৩০০ বছরের  ভীম লক্ষ লক্ষ টাকার মালায় মোড়া ভক্তদের উপচে পড়া ভীড় মেলা প্রাঙ্গণ
হলদিয়া বন্দর ঃ  ভীম অর্থাৎ দ্বিতীয় পাণ্ডব এখানে দেবতার রূপে পূজিত হন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ভীম পুজো হয় নন্দকুমারে তাড়াগেড়্যায়। নন্দকু…

 



৩০০ বছরের  ভীম লক্ষ লক্ষ টাকার মালায় মোড়া ভক্তদের উপচে পড়া ভীড় মেলা প্রাঙ্গণ


হলদিয়া বন্দর ঃ  ভীম অর্থাৎ দ্বিতীয় পাণ্ডব এখানে দেবতার রূপে পূজিত হন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ভীম পুজো হয় নন্দকুমারে তাড়াগেড়্যায়। নন্দকুমারের ব্যবর্ত্তাহাট গ্রামের তারাগেড়্যায় ভীম পূজা শুরু হয় প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর আগে। এখনও সেই পুজো প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই হয়। বেড়েছে তার জৌলুস।

বসন্ত পঞ্চমী বা শ্রী পঞ্চমী তিথির পর মাঘ মাসের কৃষ্ণ একাদশী তিথিতে ভীম পুজো শুরু হয়। একাদশী তিথির শুরুতেই ধুমধামের সহিত ঘটোত্তোলন হয় পুজোর। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর  প্রথম দিন  ভীমএকাদশী তিথিতে ভীম পূজার শুরু হয়। তার আগে নন্দকুমারের ব্যবর্ত্তাহাট গ্রামে প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের  প্রাচীন ভীম পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। ভীম পুজোর কিছুদিন আগে  থেকেই শুরু হয় মন্দিরে থাকা প্রায় ৪০ ফুট ভীম দেবতার মূর্তি রং করার কাজ। পূজা শুরু হওয়ার আগের দিন বিকেল থেকে মানসিক পুজোর লাইন পড়ে যায়। এবারও তার অন্যথা হল না। পূজার আগের দিন মানসিক পুজোর জন্য ছোট ছোট ভীম নিয়ে প্রায় ৮০০ জন পূর্ণার্থী মন্দিরে উপস্থিত হন। শুধু ভীম নয় সাথে কার্তিক ঠাকুরও রয়েছে। কথিত আছে ভীমদেবের কাছে যা প্রার্থনা করা হয় তা পূরণ হয়। আর সেই কারনে ভক্তরা টাকার মালা,কিংবা সোনা, রুপা, পিতলের জিনিস দান করে থাকে। ভক্তদের টাকার মালায় ডেকে যায় ৪০ ফুট লম্বা ভীমদেব।১২ দিনের মেলায় প্রতিদিন কয়েকশ কুইন্টাল করে বাতাসা লুট হয়ে থাকে। এতো টাকা, সোনা, রুপা,পিতলের গহনার নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের বিশেষ সাহায্য লাগে। শুধু পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মানুষ নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে পুজো দিতে আসেন। মন্দিরের পাশে পুকুরে ডুব দিয়ে বাবার কাছে মনের কথা জানালে সেই মনস্কামনা পুরন হয়ে থাকে।আর সেই কারনে দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন। পুজোর প্রথমদিন থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে। যার নিরাপত্তা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে পুজো কমিটি থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে।।

No comments